Text size A A A
Color C C C C
পাতা

বিভাগীয় উপপরিচালকের কার্যালয় সম্পর্কিত :

 

বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা অফিস,বরিশাল বিভাগ,বরিশাল।

 

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন বরিশাল বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা অফিস বিদ্যমান। উক্ত অফিসটি বরিশাল সদরের বরিশাল নদী বন্দর এর নিকটবতী বান্দ রোডে   অবস্থিত। প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, শতভাগ ভর্তি, উপস্থিতি বৃদ্ধি, ঝরে পড়া রোধ, অনুপস্থিতির হার হ্রাস ইত্যাদি বিষয়ে বিভাগীয় শিক্ষা অফিস মনিটরিং করে থাকে।

সাম্প্রতিক বছরসমূহের (৩ বছর) প্রধান অর্জনসমূহঃ

প্রাথমিক শিক্ষার গুরুত্ব উপলব্ধি করে বর্তমান সরকার সমতাভিত্তিক ও মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষক: শিক্ষার্থী এবং শিক্ষার্থী:শ্রেণিকক্ষের অনুপাত হ্রাসকরণের লক্ষ্যে এ বিভাগে নতুন প্রাক প্রাথমিক শিক্ষকের পদসৃষ্টিসহ ৩৩০৫  জন শিক্ষকের নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। শতভাগ ভর্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালু করা হয়েছে । বাস্তব চাহিদার আলোকে প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১টি করে মোট ৩৩০৫ টি দপ্তরি কাম প্রহরী পদ সৃজন করা হয়েছে। বিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে ২২০০ নলকূপ স্থাপনসহ ৪৮৬ টি ওয়াশব্লক নির্মাণ করা হয়েছে। বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সকল শিক্ষার্থীর মধ্যে ২০১৭ সালে বিনামূল্যে   ৫৯ লক্ষ বই বিতরণ করা হয়েছে।  তাছাড়া, ঝরেপড়া রোধসহ প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনের লক্ষ্যে দরিদ্র পরিবারের শিক্ষা সহায়তা কার্যক্রমের আওতায় ৮৬১২১৩ জন শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি এবং৩৯৭৩৬৯ জন শিক্ষার্থীকে স্কুল ফিডিং এর আওতায় আনা হয়েছে। ৫২৯২ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্টুডেন্ট কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে। ৪৮ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিখবে প্রতিটি শিশু (ইসিএল) এর কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে। তাছাড়া ৭১ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য মিড-ডে মিল চালু করা হয়েছে। বিদ্যালয় ভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বিকেন্দ্রীকরণের ৫৫০১  টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘স্কুল লেভেল ইমপ্রুভমেন্ট প্ল্যান (SLIP)  বাস্তবায়নের জন্য বিদ্যালয় প্রতি বাৎসরিক ৪০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ প্রদান করা হচ্ছে। ২০০৯ সাল থেকে নিয়মিতভাবে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা গ্রহণ করা হচ্ছে। ২০১২ সাল হতে  বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্ণামেন্ট পরিচালিত হয়ে আসছে। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় এ বিভাগ  চারবার জাতীয়ভাবে শ্রেষ্ঠ হয়েছে। ন্যাশনাল স্কুল এসেসমেন্ট (এনএসএ) এ ২০১৪ সালে জাতীয় পর্যায়ে প্রথম হয়েছে।

 

সমস্যা চ্যালেঞ্জসমূহ:

বরিশাল বিভাগের প্রাথমিক শিক্ষার প্রধান প্রধান সমস্যা ও চ্যালেঞ্জসমূহ হচ্ছে শিক্ষক/কর্মকর্তার শূন্য পদ পূরণ এবং নতুন ভবন/শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ ও সংস্কারের মাধ্যমে শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং শ্রেণিকক্ষ-শিক্ষার্থীর কাঙ্খিত অনুপাত অর্জন নিশ্চিত করা। শিক্ষক কর্তৃক শ্রেণিকক্ষে গতানুগতিক পাঠদানের প্রবণতা পরিহার করে পদ্ধতি মাফিক পাঠদানে অভ্যস্ত করা। হত দরিদ্র পরিবারের শিশুদেরকে বিদ্যালয়ের পরিবর্তে শ্রমঘন কর্মস্থানে প্রেরণ নিরুৎসাহিত করা। শিক্ষার গুণগতমান বৃদ্ধি এবং একীভূত শিক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা। জাতীয় শিক্ষানীতির ভিত্তিতে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা।

 

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা:

সকল শিক্ষার্থীর ছবিসহ আইডি কার্ড ও ডাটাবেজ প্রণয়নসহ প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাপনা এবং অবকাঠামো নির্মাণ নিশ্চিত করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। ঝরে পড়া ও স্কুল বর্হিভূত শিশুদের বিদ্যালয়ে আনয়ন এবং তাদের প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণের জন্য সম্ভাব্য সকল উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। সকল শিশুর মানসন্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ বাস্তবায়নের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে উদ্ভাবনী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

 

২০১৭-১৮ অর্থবছরের সম্ভাব্য প্রধান অর্জনসমূহ:

·সর্বজনীন ও বৈষম্যহীন প্রাথমিক শিক্ষা সম্প্রসারণের জন্য শ্রেণিকক্ষ, নলকূপ স্থাপন এবং ওয়াশব্লক নির্মাণ;

·নির্ধারিত সময়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যের বই বিতরণ;

·প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় তথ্য ও যোগযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার;

·কনটেন্ট ভিত্তিক পাঠদানের জন্য শ্রেণি কক্ষে ল্যাপটপ ও মাল্টিমিডিয়া স্থাপন;

·আইসিটি ভিত্তিক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন;

·দরিদ্র শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ও স্কুল ফিডিং এর আওতায় আনয়ন;

·বিদ্যালয় পর্যায়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন;

·পরিদর্শন কার্যক্রম ফলপ্রসূ ও জোরদার করা।

ছবি


সংযুক্তি